কাশিপুরে মসজিদ থেকে মুসল্লিদের তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ,ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নগরীতে তাবলীগের উদ্দেশ্যে মসজিদে যাওয়া মুসল্লিদের তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর নগরীর ২৯ নং ওয়ার্ড ইছাকাঠি, কাশিপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজের মসজিদের ইমাম নুর মোহাম্মদ ও স্থানীয় বাসিন্দা রুবেলের দিকে। মসজিদ থেকে মুসল্লিদের লাঞ্ছিতকরণের ঘটনায় তাৎক্ষণিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ধর্মপ্রাণ এলাকাবাসীর মধ্যে। ফলে অন্য কোথাও থেকে মুসল্লি ধার এনে পরিস্থীতি সামাল দেয় মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ১০ জন মুসল্লির একটি তাবলিগ জামায়াত নিয়ে নগরীর আদালত পাড়া জামে মসজিদ থেকে মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে ২৯ নং ওয়ার্ড ইছাকাঠি, কাশিপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজের মসজিদে ৩ দিনে সফরে যান তারা।  কোন কারণ ছাড়াই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উক্ত মসজিদের ইমাম নুর মোহাম্মদ ও স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল মসজিদে প্রবেশ করে সফরে থাকা মুসল্লিদের বের করে দেয়ার চেষ্টা করেন। এসময় মুসল্লিরা তাবলিগ ছেড়ে না যেতে চাওয়ায় তাদের লাঞ্ছিত করেন মসজিদের ইমাম নুর মোহাম্মদ ও স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল। পাশাপাশি নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে মসজিদ থেকে তাদের জোড়পূর্বক বের করে দেন তারা।

এনিয়ে গত বেশ কিছুদিন যাবৎ এলাকার সাধারণ মুসল্লিদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলেন, ‘ মসজিদ আল্লাহর ঘর। একটি মুসলিম দেশে আল্লাহর ঘরে আসা মুসল্লিদের সাথে এমন খারাপ আচারণে হতবাক সবাই। ’ তবে কি কারণে মুসল্লিদের মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে সে বিষয় কথা বলতে রাজি হননি মসজিদের ইমাম নুর মোহাম্মদ।

উক্ত সফরে থাকা নগরীর বিশিষ্ট সমাজসেবক নজরুল ইসলাম খান সময়ের বার্তাকে জানান, ‘মসজিদ কারো পৈত্রিক সম্পত্তি না। মসজিদে যার যখন ইচ্ছা ইবাদত-বন্দিগী করবে। এটাই স্বভাবিক।’ মসজিদে রাজনীতি চলছে অভিযোগ করে তিনি আরো বলেন, ‘একটি মুসলিম রাষ্ট্রে ধর্মীয় কাজে বাধা প্রদান ও মসজিদ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া খুব দু:খজনক ঘটনা। যা কখনোই কাম্য নয়। এভাবে চলতে থাকলে অন্য ধর্মের মানুষগুলোও সুযোগ পেয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে কথা বলার আরো বেশী সুযোগ পাবে।

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।

Check Also

ঈদে নৌযাত্রায় যাত্রীদের ঝামেলার শঙ্কা

ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের বিলাসবহুল লঞ্চের আগাম টিকিট বিক্রি শেষ পর্যায়ে হলেও যাত্রীদের কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *