জাপার কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ১২ অক্টোবর

চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই জাতীয় পার্টির (জাপা) সব জেলা কমিটির সম্মেলন সম্পন্ন করে দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সম্ভাব‌্য তারিখ ১২ অক্টোবর নির্ধারণ করেছে গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের (জিএম কাদের) নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি।

বুধবার (৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয় মিলনায়তনে পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দলীয় সংসদ সদস্যদের যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাপার চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপির সভাপতিত্বে যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন—দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, মহাসচিব ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এমপি, গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, ফখরুল ইমাম, সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, নাসরিন জাহান রতনা, আব্দুর রশীদ সরকার, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, লেফটেন্যান্ট জোনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, এমপি, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, মো. মিজানুর রহমান, সৈয়দ দিদার বখ্ত, এমরান হোসেন মিয়া, লিয়াকত হোসেন খোকা, মোস্তফা আল মাহমুদ, জহিরুল আলম রুবেল, শেরীফা কাদের, এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মো. আশরাফুজ্জামান আশু এমপি এবং ভাইস চেয়ারম্যান নুরুন্নাহার বেগম এমপি।

সভা শেষে পার্টির মহাসচিব ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, আগস্টের মধ্যেই সকল জেলার সম্মেলন সম্পন্ন করে ১২ অক্টোবর জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সম্ভাব‌্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় বর্ধিত সভা হবে। সকল জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন ওই সভায়। সেখানে জাতীয় পার্টির সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে। আগামী আগস্টের মধ্যে ৩ থেকে ৫ সদস্যের ছোট ছোট কমিটি করে জেলায় জেলায় পাঠানো হবে। তারা দলের সাংগঠনিক শক্তি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রে একটি রিপোর্ট দেবে।

রওশন এরশাদের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই, জানিয়ে পার্টির মহাসচিব বলেন, আমাদের পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদের সাথে আমাদের স্পর্শকাতর সম্পর্ক। তাই, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। রওশন এরশাদের নাম ব্যবহার করে যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, দল থেকে বহিষ্কৃত অনেকেই আবারও দলে ফিরতে চেয়ে যোগাযোগ করছেন। পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে বহিষ্কার করার জন্য কাজী ফিরোজ রশীদের বাসায় মিটিং হয়েছিল। তাই, কাজী ফিরোজ রশীদকে পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তথাকথিত সম্মেলন কমিটির সভায় বক্তৃতা করায় সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কারণ, বাবলা সাহেব নিজেই পার্টি থেকে চলে গেছেন।

অমার্জনীয় অপরাধের জন্য যারা বহিষ্কার হয়েছেন, তারা ব্যতিত অন্য বহিষ্কৃতরা ক্ষমা চাইলে পার্টির চেয়ারম্যান যেন সহানুভূতির দৃষ্টিতে বিবেচনা করেন, সে ব্যাপারে বৈঠকে চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান পার্টির মহাসচিব।

সভার শুরুতে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাবিবুর রহমানসহ প্রয়াত নেতাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

Check Also

বিএনপিকে প্রতিহত করতে হবে: কাদের

বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি অশুভ শক্তি। তাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *