নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, দুর্গত বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ১৭৭টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ৩৩ জন আহত ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ছাড়া উদ্ধার ও ত্রাণকাজে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩১৮ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এদিকে নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, ভয়াবহ ভোতে কোশি নদীর বন্যার পর ৬৪৪ জন পর্যটকের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।
বোর্ডের মুখপাত্র সুনীল শর্মার তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ১৭৮ জন ভারতীয় পর্যটক রয়েছেন। এ ছাড়া ১২৭ জন নেপালি, ৫৩ জন ইউক্রেনীয়, ৫১ জন মালয়েশীয়, ৬৫ জন মার্কিন, ৩৫ জন অস্ট্রেলীয় এবং ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিকেরও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
শর্মা বলেন, নিখোঁজ পর্যটকদের সন্ধান ও উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। নেপাল ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-পুলিশ সুপার বিশ্বরাজ অধিকারী জানান, ওই এলাকায় যাওয়া পর্যটকদের বিষয়ে ট্যুর অপারেটরদের কাছ থেকে এখনো তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি তিব্বতের হিন্দু তীর্থস্থান কৈলাস-মানসসরোবর যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথের অংশ। জনপ্রিয় লাংটাং ট্রেকিং এলাকা এবং ধর্মীয় স্থান গোসাই কুণ্ডও এই অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে।
বিশ্বরাজ জানান, বৃহস্পতিবার রাসুয়া জেলা থেকে প্রায় দুই ডজন পর্যটককে উদ্ধার করে পাশের নুওয়াকোট জেলায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে তাদের জাতীয়তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি। এর আগে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছিল, নেপালি সেনাবাহিনী ২১ জন ভারতীয় নাগরিককে উদ্ধার করেছে। তাদের কাঠমান্ডুতে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

































