দিনাজপুরের বীরগঞ্জে পৃথক অভিযানে ২ হাজার ৩৪০ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় দুইজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ৮ নম্বর ভোগনগর ইউনিয়নের কবিরাজহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমা খাতুনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিসিআইসি লাইসেন্সধারী ডিলার নওশাদ ট্রেডার্স ও জনতা হাসকিং মিলে ১ হাজার ৪৯৩ বস্তা টিএসপি, ১৮১ বস্তা ডিএপি ও ২১৬ বস্তা এমওপি সারসহ মোট ১ হাজার ৮৯০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। অভিযান চলাকালে জনতা অটো রাইস মিলের ম্যানেজার কাজী ফয়সালকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
এর দুই দিন আগে একই এলাকায় কথিত অবৈধ সার মজুদের অভিযোগে বিএডিসি ডিলার সোহাগের গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর বর্মন। ওই অভিযানে ৪৫০ বস্তা এমওপি সার জব্দ, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ‘জনি’ নামে এক কর্মচারীকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুই অভিযানে জব্দ করা সারসহ মোট ২ হাজার ৩৪০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানগুলোতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তিনি জানান, জব্দকৃত সারগুলো সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার যাতে অবৈধভাবে মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা না হয়, সে বিষয়ে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

































