জীবন চলতে লাঠিই ভরসা আখিনুর আক্তারের। শান্তিপূর্ণভাবে আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ভোট দিতে পেরে খুশি শারীরিক প্রতিবন্ধী আখিনুর আক্তার। প্রচণ্ড গরম ও রোদ উপেক্ষা করে লাঠির সহযোগিতায় এক পায়ে হেঁটে নিজের ভোট দিয়ে গেলেন তিনি।
জানা গেছে, আমতলী উপজেলার নাচনাপাড়া গ্রামের আলী আকবর মুসুল্লীর কন্যা আখিনুর আক্তার। জন্ম থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী। তার একটি পা নেই। এক পা দিয়েই জীবন যুদ্ধে নামেন আখিনুর। শত বাধা উপেক্ষা করে আমতলী বন্দর ফাজিল মাদ্রাসায় ফাজিল (বিএ) ক্লাসে লেখাপড়া করছেন তিনি।
রোববার আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তীব্র রোধ উপেক্ষা করে লাঠিতে ভর দিয়ে মরিচবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন। শান্তিপূর্ণভাবেই তিনি নতুন ভোটার হিসেবে ভোট দিয়েছেন।
প্রতিবন্ধী আখিনুর বলেন, সবার চেয়ে আমি একটু আলাদা। জন্ম থেকেই আমার একটি পা নেই। সামাজিক ও অর্থনৈতিক শত বাধা উপেক্ষা করে জীবন চলছে। যার যেটা নেই, সেই বোঝে না থাকার যন্ত্রণা। অনেক কষ্ট করে জীবন চলছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন ভোটার হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ভোট দিয়েছি। লাঠি ভর করে এক পায়ে হেঁটে ভোট দিয়েছি। অনেক ভালো লেগেছে।
আখিনুরের বাবা আলী আকবর মুসুল্লী বলেন, জন্ম থেকেই আমার মেয়ের একটি পা নেই। পা না থাকলে হবে কী? অনেক গুণ আছে আমার মেয়ের। অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করছে। জীবন চলতে লাঠিই ওর ভরসা।
মরিচবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং অফিসার মো. সফিউল আলম বলেন, প্রতিবন্ধী মেয়েটাকে ভোট দিতে আসতে দেখেই আনসারদের সহযোগিতায় এনে দ্রুত ভোট নিয়েছি। যাতে ওর কষ্ট না হয়।




























