জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ বলেছেন, যারা জোর করে ক্ষমতায় ছিল তারা মানুষের হক কেড়ে নিয়েছে। তারই প্রতিফলন ঘটেছে ২০২৪ এর ৩৬ দিনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে। এ পরাজিত শক্তি দেশে জনগণের সম্পদ চুরি করে এখনো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘাপটি মেরে বসে আছে। সেখানে বসে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা জানে না বাংলাদেশের মানুষ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ইস্পাত কঠিন ঐক্যের মাধ্যমে তাদেরকে পরাজিত করেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম, এখনো ঐক্যবদ্ধ আছি। দেশের প্রয়োজনে যতদিন আমাদেরকে একসঙ্গে পথ চলতে হয় ততদিন আমাদের এ ঐক্যে কেউ ফাটল ধরাতে পারবে না। আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে ফ্যাসিস্টদের রুখতে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব, ইনশাআল্লাহ।
ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বুধবার হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বেলা ১১টায় প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন হুইপ জিকে গউছ এমপি। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ, পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মো. মঈনুল হক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার গোলাম মোস্তফা রফিকসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় হুইপ জিকে গউছ আরও বলেন, আমরা মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণ করেই বলেছেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই এ সরকারের প্রধান কর্তব্য। কারও প্রতি আমাদের কোনো ক্ষোভ, রাগ নেই। যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে দেশের আইন অনুযায়ী তারা বিচারের মুখোমুখি হবেন। দেশের আইন অনুযায়ীই তাদের বিচার হবে এটিই বিএনপি প্রত্যাশা করে। আমরা গণতান্ত্রিক সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে দেশের সমস্যা সমাধানে কাজ করছি।
তিনি বলেন, আজ অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষ উদযাপনে বাংলাদেশের মানুষের মনে যে স্বস্তি, শান্তি, উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে আমরা কোনোভাবে সে স্বস্তি, শান্তি নষ্ট হোক তা কামনা করি না। বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা বরাবরই মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি।
পরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে পদযাত্রা বের করা হয়। দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হুইপ জিকে গউছ।



































