নোয়াখালীর সুবর্ণচরে শিক্ষিকার বাসায় প্রাইভেট পড়তে গিয়ে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিনকে (৫০) আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই স্কুলছাত্রী প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালে তার শিক্ষিকার বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। সে সময় শিক্ষিকা বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। শিক্ষার্থী দরজায় কড়া নাড়লে শিক্ষিকার বাবা সিএনজিচালক কামাল উদ্দিন দরজা খুলে দেন। একপর্যায়ে সুযোগ বুঝে তিনি ওই ছাত্রীকে ঘরের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে না জানাতে এবং কাউকে বললে পরিণতি খারাপ হবে বলে ৫০০ টাকা হাতে দিয়ে শিক্ষার্থীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেন অভিযুক্ত কামাল। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিস্তারিত জানায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী অভিযুক্তের সন্ধানে নামেন। পরবর্তীতে একই দিন সন্ধ্যায় এলাকাবাসী কামাল উদ্দিনকে আটক করে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে চরজব্বর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত কামাল উদ্দিনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর জবানবন্দি গ্রহণ ও শারীরিক (ডাক্তারি) পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।


































