যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শুক্রবার রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। যদিও কয়েক দিন আগেই তিনি বলেছিলেন, নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব খুব বেশি হবে না।
সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘কেউ কেউ বলেন নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাবই নেই। তাদের কী বলব, সত্যিই জানি না।’ তিনি বলেন, ইরান বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে এবং দেশকে এই কঠিন পরিস্থিতি মেনে নিয়েই এগোতে হবে।
পেজেশকিয়ানের দাবি, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানের আমদানি ও রপ্তানি ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এর কয়েক দিন আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের ওপর ‘অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ’ চালানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের এই নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রমে অংশ না নেওয়া দেশগুলোকেও পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় পেট্রলের দাম বাড়ানোর পক্ষেও মত দিয়েছেন পেজেশকিয়ান।
তিনি বলেন, বাণিজ্য কমে যাওয়ার বাস্তবতা বিবেচনায় পেট্রলের তৃতীয় স্তরের কোটার দাম বাড়ানো উচিত। উদাহরণ হিসেবে তিনি প্রতি ইউনিটের দাম ৫ হাজার তুমান থেকে ১০ হাজার তুমানে বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন।
































