স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা-বরিশাল নৌপথে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক প্রতিষ্ঠান সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (এনআই) অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহম্মেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা ও আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল।
তবে অভিযোগ রয়েছে, সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম ক্ষমতার প্রভাবে অন্য অংশীদারদের সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী মো. আবদুস সালাম ইসমত আরাকে ওই টাকার একটি চেক দেন।
তবে ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে চেকটি ভাঙাতে গেলে তিন দফায় সেটি ডিজঅনার হয়। এরপর ইসমত আরা চেক প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা করেন।
এ বিষয়ে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি শেখ আবদুর রহিম বলেন, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে জানে। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন। এখন তাকে আইনি বিষয় মেনে নিতে হবে।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।




































