রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অবস্থান করতে দেখা যায়। তবে সেখানে ছাত্রশিবিরের কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।
এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর আহত কয়েকজন চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল মেডিকেলের জরুরি বিভাগে গেলে তাদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের সামনের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
কোতোয়ালি থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে, চিকিৎসাধীন যারা ছিলেন তারা অন্য হাসপাতালে চলে গেছেন। তবে কবি নজরুল কলেজ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা অবস্থান করছে। পুলিশও সতর্ক অবস্থায় আছে।
সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হাসপাতালের সামনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান করতে দেখা যায়। সেখানে পুলিশ সদস্যরাও আছেন। তবে ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীদের কাউকে দেখা যায়নি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনার পর চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
তদন্ত কমিটিতে সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোস্তফা হাসানকে আহ্বায়ক ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. শহিদুল্লাহকে সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।




































