• আমাদের সম্পর্কে
  • নীতিমালা
  • প্রাইভেসি পলিসি
  • যোগাযোগ
বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
Somoyer Barta
  • Login
No Result
View All Result
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • বিশেষ সংবাদ
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • আইন ও অপরাধ
  • আরও
    • ইতিহাস-ঐতিহ্য
    • এম লোকমান হোসাঈন
    • গেস্ট ব্লগিং
    • ধর্মকথা
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • বরিশাল
    • ভ্রমণ
    • মিডিয়া
    • রংপুর
    • রাজধানী
    • রাজশাহী
    • লাইফস্টাইল
    • শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন
    • সময়ের অনুসন্ধান
    • সাক্ষাতকার
    • সাহায্য’র সংবাদ
    • সাহিত্য আড্ডা
    • স্বাস্থ্য ও জীবন
E-Paper
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • বিশেষ সংবাদ
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • আইন ও অপরাধ
  • আরও
    • ইতিহাস-ঐতিহ্য
    • এম লোকমান হোসাঈন
    • গেস্ট ব্লগিং
    • ধর্মকথা
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • বরিশাল
    • ভ্রমণ
    • মিডিয়া
    • রংপুর
    • রাজধানী
    • রাজশাহী
    • লাইফস্টাইল
    • শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন
    • সময়ের অনুসন্ধান
    • সাক্ষাতকার
    • সাহায্য’র সংবাদ
    • সাহিত্য আড্ডা
    • স্বাস্থ্য ও জীবন
No Result
View All Result
Somoyer Barta
No Result
View All Result
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • বিশেষ সংবাদ
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • আইন ও অপরাধ
  • আরও
Home শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন

৩৬ শতাংশের নীরব বিদায়: কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের শিক্ষার্থীরা?

by অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১৩, ২০২৬
in শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন
৩৬-শতাংশের-নীরব-বিদায়-কোথায়-হারিয়ে-যাচ্ছে-আমাদের-শিক্ষার্থীরা
ফেসবুকে শেয়ার করুনটুইট করুনপিন করুনওয়াটসঅ্যাপ করুন

জুবাইয়া বিন্তে কবির: কোনো রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় তার তরুণ প্রজন্মের জ্ঞান, দক্ষতা ও স্বপ্নের ওপর। যে জাতি তার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধরে রাখতে পারে, সেই জাতিই আগামী দিনের অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও সভ্যতার নেতৃত্ব দেয়। আর যে রাষ্ট্রের শিক্ষার্থীরা মাঝপথেই শিক্ষার মূলধারা থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করে, সেখানে উন্নয়নের সুউচ্চ অট্টালিকাও একসময় নড়বড়ে হয়ে পড়ে। ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পরিসংখ্যান বাংলাদেশের সামনে এমনই এক নীরব কিন্তু গভীর সংকটের দরজা খুলে দিয়েছে। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রায় ৩৬ শতাংশ পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। সংখ্যার ভাষায় এটি প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ তরুণ-তরুণী; কিন্তু বাস্তবে এটি সাড়ে পাঁচ লাখ অসমাপ্ত স্বপ্ন, সাড়ে পাঁচ লাখ সম্ভাবনার অপচয় এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য এক গভীর সতর্কবার্তা।

পরিসংখ্যানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানবিক ট্র্যাজেডি : পরিসংখ্যান কখনো কখনো খুব নির্মম হয়। সেখানে চোখের জল, অপূর্ণ স্বপ্ন কিংবা একটি পরিবারের দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প ধরা পড়ে না। দুই বছর আগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল। অথচ এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছে মাত্র সাড়ে ৯ লাখ। অর্থাৎ পরীক্ষার হলে প্রবেশের আগেই শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ঝরে গেছে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী। এরপর যারা ফরম পূরণ করেছে, তাদের মধ্যেও প্রতিদিন হাজার হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থেকেছে। প্রতিটি অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর পেছনে রয়েছে একটি আলাদা গল্প—কোথাও দারিদ্র্য, কোথাও বাল্যবিবাহ, কোথাও পরিবারের উপার্জনের দায়, কোথাও আবার হতাশা, মানসিক চাপ কিংবা শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতা। তাই এই সংকটকে কেবল পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে বিচার করলে চলবে না; এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় অগ্রগতির প্রশ্ন।

আরও দেখুন—

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে নিয়োগপ্রত্যাশীদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে নিয়োগপ্রত্যাশীদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

জুলাই ২৮, ২০২৬
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই ২৭, ২০২৬
২০৩০ সালের মধ্যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এআইভিত্তিক শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা

২০৩০ সালের মধ্যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এআইভিত্তিক শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা

জুলাই ২৩, ২০২৬
সম্প্রতি বাবাকে হারানো ইকনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন শিক্ষামন্ত্রী

সম্প্রতি বাবাকে হারানো ইকনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন শিক্ষামন্ত্রী

জুলাই ২৩, ২০২৬

কেন হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের শিক্ষার্থীরা? কোনো শিক্ষার্থী একদিনে শিক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় না। তার ঝরে পড়ার পেছনে দীর্ঘদিনের আর্থিক, সামাজিক, পারিবারিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংকট কাজ করে। মূল্যস্ফীতির চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে সন্তানের লেখাপড়ার ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে উঠছে। অনেক পরিবারে কলেজে পাঠানোর চেয়ে সন্তানকে কাজে পাঠানোকে বেশি প্রয়োজনীয় মনে করা হচ্ছে। কেউ ক্ষুদ্র ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছে, কেউ বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, আবার কেউ পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যে পরিণত হচ্ছে। এভাবেই ধীরে ধীরে বইয়ের ব্যাগের জায়গা দখল করে নিচ্ছে শ্রমের বোঝা। সবচেয়ে বড় কথা, বহু তরুণের কাছে শিক্ষা আর নিশ্চিত ভবিষ্যতের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না।

শিক্ষাব্যবস্থার ভেতরের সংকট : শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার দায় শুধু পরিবার বা অর্থনৈতিক বাস্তবতার নয়; শিক্ষাব্যবস্থারও রয়েছে বড় দায়। আমাদের শিক্ষা এখনো অতিমাত্রায় পরীক্ষাকেন্দ্রিক, মুখস্থনির্ভর এবং নম্বরপ্রধান। শেখার আনন্দ, সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশের চেয়ে পরীক্ষার ফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টেস্ট পরীক্ষাকে এমনভাবে ব্যবহার করা হয় যে দুর্বল শিক্ষার্থীরা মূল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগই হারিয়ে ফেলে। অথচ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব শিক্ষার্থীকে বাদ দেওয়া নয়; তাকে শেখার উপযোগী করে গড়ে তোলা। শিক্ষা যদি অন্তর্ভুক্তিমূলক না হয়, তবে ঝরে পড়ার এই মিছিল আরও দীর্ঘ হবে।

এটি শুধু শিক্ষা নয়, অর্থনীতিরও সংকট : উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা উচ্চশিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের অন্যতম প্রধান সোপান। এখান থেকেই একজন তরুণ বিশ্ববিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা কিংবা পেশাগত জীবনের পথে এগিয়ে যায়। ফলে এই স্তরে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ঝরে পড়া মানে ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি তৈরি হওয়া। একটি দেশ তখনই টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করতে পারে, যখন তার তরুণ জনগোষ্ঠী শিক্ষিত, দক্ষ ও উৎপাদনশীল হয়। কিন্তু যদি প্রতি বছর লাখো শিক্ষার্থী মূলধারার শিক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তাহলে জনসংখ্যাগত সুবিধা (Demographic Dividend) একসময় জনসংখ্যাগত চাপেই পরিণত হবে। উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন তখন কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

পরবর্তী পর্বে ৬–১০ নম্বর অংশে বাল্যবিবাহ, দারিদ্র্য, মানসিক স্বাস্থ্য, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষানীতির দুর্বলতা সাহিত্যসমৃদ্ধ ও গবেষণাভিত্তিকভাবে তুলে ধরব।

বাল্যবিবাহ, দারিদ্র্য ও অসমাপ্ত শিক্ষাযাত্রা : বাংলাদেশে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার অন্যতম বড় কারণ এখনও দারিদ্র্য ও বাল্যবিবাহ। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলে বহু কিশোরীর শিক্ষাজীবন থেমে যায় বিয়ের পিঁড়িতে বসার মধ্য দিয়ে। গত বছর অনুপস্থিত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ওপর পরিচালিত এক বিশ্লেষণে দেখা যায়, উল্লেখযোগ্য অংশের পরীক্ষার্থী বাল্যবিবাহের কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। একটি মেয়ে যখন অল্প বয়সে বিদ্যালয় ছেড়ে সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে বাধ্য হয়, তখন হারিয়ে যায় শুধু একজন শিক্ষার্থী নয়; হারিয়ে যায় একজন সম্ভাব্য শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী কিংবা দক্ষ উদ্যোক্তা। একইভাবে অর্থনৈতিক সংকটে বহু ছেলে শিক্ষার্থীও বই ছেড়ে শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। কেউ গ্যারেজে, কেউ দোকানে, কেউ নির্মাণশ্রমিক, আবার কেউ বিদেশে যাওয়ার স্বপ্নে শিক্ষার পথ থেকে সরে যাচ্ছে। এভাবে দারিদ্র্য ও সামাজিক বাস্তবতা মিলেই শিক্ষার পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে হাজারো স্বপ্নের।

শিক্ষা যখন হারায় বিশ্বাসের জায়গা : একসময় উচ্চশিক্ষা ছিল সামাজিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সাফল্যের সবচেয়ে বড় সোপান। কিন্তু আজ বাস্তবতা অনেকটাই বদলে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেও দীর্ঘদিন চাকরি না পাওয়ার অসংখ্য উদাহরণ তরুণদের মনে এক ধরনের আস্থাহীনতা তৈরি করেছে। অনেকের কাছে প্রশ্ন জাগছে—দীর্ঘ ১৬ বা ১৮ বছর লেখাপড়া করেও যদি কর্মসংস্থান নিশ্চিত না হয়, তবে এত দীর্ঘ শিক্ষাযাত্রার মূল্য কোথায়? শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে এই বিচ্ছিন্নতাই উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে অনেক শিক্ষার্থীকে নিরুৎসাহিত করছে। ফলে তারা উচ্চশিক্ষার পরিবর্তে দ্রুত আয়ের পথকেই বেশি বাস্তবসম্মত মনে করছে। এটি শুধু অর্থনৈতিক সংকট নয়; এটি শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি বিশ্বাসের সংকটও।

মানসিক স্বাস্থ্য ও ডিজিটাল বিভ্রান্তির নতুন বাস্তবতা : বর্তমান প্রজন্ম এমন এক সময়ে বেড়ে উঠছে, যেখানে প্রতিযোগিতা, সামাজিক প্রত্যাশা এবং ডিজিটাল বিভ্রান্তি একসঙ্গে তাদের মানসিক জগতে প্রভাব ফেলছে। পরীক্ষার চাপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, পারিবারিক প্রত্যাশা এবং সামাজিক তুলনার সংস্কৃতি বহু শিক্ষার্থীকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন গেম এবং দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহারের কারণে মনোযোগ ও পড়াশোনার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হচ্ছে। অথচ দেশের অধিকাংশ বিদ্যালয় ও কলেজে এখনো মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং কিংবা মনোসামাজিক সহায়তার কার্যকর ব্যবস্থা নেই। ফলে অনেক শিক্ষার্থী নীরবে ভেঙে পড়ছে, আর সেই ভাঙনের শেষ পরিণতি হচ্ছে শিক্ষার মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া।

বিশ্বের অভিজ্ঞতা আমাদের কী শেখায় : শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়; বিশ্বের অনেক দেশই এই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। তবে তারা সমস্যাটিকে কেবল শিক্ষা খাতের বিষয় হিসেবে দেখেনি। ভারত দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও ডিজিটাল শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে; নেপাল ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষার্থীদের আগেভাগে শনাক্ত করার ব্যবস্থা চালু করেছে; শ্রীলঙ্কা তথ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষণ এবং শিক্ষা সংস্কারে জোর দিয়েছে; পাকিস্তান কারিগরি শিক্ষা ও শিক্ষা ভাউচার কর্মসূচি সম্প্রসারণ করেছে। এসব অভিজ্ঞতার মূল শিক্ষা হলো—শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ করতে হলে শিক্ষা, অর্থনীতি, সামাজিক সুরক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানসিক স্বাস্থ্য—সবকিছুকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিতে হয়। বিচ্ছিন্ন উদ্যোগে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

হারিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থী মানেই হারিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ : একজন শিক্ষার্থী যখন এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে না, তখন শুধু একটি পরীক্ষার খাতা ফাঁকা থাকে না; ফাঁকা হয়ে যায় একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ। রাষ্ট্র হারায় একজন দক্ষ নাগরিক, পরিবার হারায় উন্নত জীবনের আশা, আর সমাজ হারায় একটি উৎপাদনশীল শক্তি। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার তরুণ জনগোষ্ঠী। এই সম্পদকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে না পারলে উন্নত, জ্ঞানভিত্তিক ও প্রতিযোগিতামূলক রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন পূরণ হবে না। তাই শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার প্রতিটি ঘটনা কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্বেগের বিষয় নয়; এটি অর্থনীতি, সমাজনীতি এবং জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রীয় ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত। কারণ, আজ যে শিক্ষার্থী হারিয়ে যাচ্ছে, আগামীকাল তার অভাবই দেশের উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সময়োপযোগী শিক্ষা সংস্কারের আর কোনো বিকল্প নেই : এই সংকট মোকাবিলায় প্রথম প্রয়োজন প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান। জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা (Early Warning System) চালু করে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের আগেভাগেই শনাক্ত করতে হবে। উপবৃত্তি ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক করতে হবে। পাশাপাশি মাধ্যমিক স্তর থেকেই কারিগরি, প্রযুক্তিনির্ভর, উদ্যোক্তামুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ জরুরি। কারণ সব শিক্ষার্থীর গন্তব্য বিশ্ববিদ্যালয় হতে হবে—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। শিক্ষা এমন হতে হবে, যা একজন তরুণকে শুধু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নয়, কর্মজীবনের জন্যও প্রস্তুত করবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হোক স্বপ্ন রক্ষার নিরাপদ আশ্রয় : একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাফল্য কেবল জিপিএ-৫ কিংবা শতভাগ পাসের হারে নির্ধারিত হয় না; প্রকৃত সাফল্য হলো একজন দুর্বল শিক্ষার্থীকে মূলধারায় ধরে রাখা। টেস্ট পরীক্ষাকে বাদ দেওয়ার উপকরণ নয়, শেখার ঘাটতি পূরণের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। প্রতিটি কলেজ ও বিদ্যালয়ে ধীরে ধীরে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বিত পরামর্শব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। একজন শিক্ষার্থী যেন কোনো সংকটে একা অনুভব না করে—এমন মানবিক শিক্ষাব্যবস্থাই হতে পারে ঝরে পড়া রোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিদ, বিএনপির গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর ড. মোঃ মোর্শেদ হাসান খানের মতে, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ঝরে পড়া বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক বার্তা। তাঁর মতে, শিক্ষাকে শুধু সনদ অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; শিক্ষা হতে হবে দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক। তিনি মনে করেন, শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার পেছনে অর্থনৈতিক সংকট, শিক্ষার গুণগত মানের বৈষম্য, বাল্যবিবাহ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুর্বল তদারকি এবং কর্মমুখী শিক্ষার ঘাটতি সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তাই এই সংকট মোকাবিলায় সরকার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অভিভাবক এবং সমাজকে একযোগে কাজ করতে হবে। তাঁর মতে, প্রতিটি শিক্ষার্থীকে শিক্ষার মূলধারায় ধরে রাখা শুধু শিক্ষা নীতির লক্ষ্য নয়, বরং একটি উন্নত, দক্ষ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত।

রাষ্ট্রের প্রতি প্রত্যাশা : বাংলাদেশ আজ জনমিতিক সম্ভাবনার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দাঁড়িয়ে। এই বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে না পারলে উন্নয়নের গতি টেকসই হবে না। তাই বর্তমান জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে দেশের মানুষের প্রত্যাশা শিক্ষাকে সর্বোচ্চ জাতীয় অগ্রাধিকার দিয়ে কর্মমুখী শিক্ষা, প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনরায় শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার জন্য একটি সমন্বিত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। একই সঙ্গে শিক্ষার বাজেট বৃদ্ধি, গবেষণায় বিনিয়োগ এবং শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলা সময়ের অপরিহার্য দাবি।

ইসলামের আলোকে শিক্ষার গুরুত্ব : ইসলাম জ্ঞানার্জনকে মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দায়িত্ব হিসেবে ঘোষণা করেছে। পবিত্র কোরআনের প্রথম নির্দেশই ছিল “পড়ো”। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) জ্ঞান অর্জনকে প্রত্যেক নারী-পুরুষের জন্য অপরিহার্য দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাই কোনো শিক্ষার্থী দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ, সামাজিক বৈষম্য কিংবা অবহেলার কারণে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে—এটি ইসলামের মানবিক চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। একটি জ্ঞানভিত্তিক, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের জন্য শিক্ষার প্রসার এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীর সম্ভাবনা বিকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজ—উভয়েরই নৈতিক দায়িত্ব।

পরিশেষে, এইচএসসি পরীক্ষায় ৩৬ শতাংশ শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি কোনো সাধারণ পরিসংখ্যান নয়; এটি বাংলাদেশের শিক্ষা, অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য এক গভীর সতর্কবার্তা। প্রতিটি ঝরে পড়া শিক্ষার্থী একটি পরিবারের ভেঙে যাওয়া স্বপ্ন, একটি জাতির হারিয়ে যাওয়া সম্ভাবনা এবং উন্নয়নের পথে একটি অপূরণীয় ক্ষতি। শিক্ষা কেবল একটি সনদ নয়; এটি একটি জাতির সভ্যতা, মানবিকতা ও সমৃদ্ধির ভিত্তি। তাই আজ জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সাহসের সঙ্গে এর প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি, কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সমাধান গ্রহণ করা। কারণ যে রাষ্ট্র তার শিক্ষার্থীদের ধরে রাখতে পারে, সেই রাষ্ট্রই আগামী দিনের জ্ঞান, উদ্ভাবন ও উন্নয়নের নেতৃত্ব দেয়। আর যে রাষ্ট্র তার তরুণদের হারিয়ে ফেলে, সে ধীরে ধীরে নিজের ভবিষ্যৎকেই হারিয়ে ফেলে। তারুণ্যের অহংকার দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রাকে সত্যিকার অর্থে টেকসই করতে হলে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে শিক্ষার আলোয় ধরে রাখাই হতে হবে জাতীয় অঙ্গীকার।

লেখক : জুবাইয়া বিন্তে কবির
অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও কলামিস্ট
ShareTweetPinSend

এই বিভাগের আরও সংবাদ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে নিয়োগপ্রত্যাশীদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
Uncategorized

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে নিয়োগপ্রত্যাশীদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

জুলাই ২৮, ২০২৬
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয়

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই ২৭, ২০২৬
২০৩০ সালের মধ্যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এআইভিত্তিক শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা
শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন

২০৩০ সালের মধ্যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এআইভিত্তিক শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা

জুলাই ২৩, ২০২৬
সম্প্রতি বাবাকে হারানো ইকনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন শিক্ষামন্ত্রী
জাতীয়

সম্প্রতি বাবাকে হারানো ইকনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন শিক্ষামন্ত্রী

জুলাই ২৩, ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রী
জাতীয়

অপবাদ দিয়ে দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

জুলাই ১৮, ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীদের নতুন ৬ দফা ঘোষণা
Uncategorized

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীদের নতুন ৬ দফা ঘোষণা

জুলাই ১৫, ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
Uncategorized

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

জুলাই ১৪, ২০২৬
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় শিক্ষার্থীকে দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. রিপন হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রিপন হোসেন উপজেলার ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের বাংলা প্রভাষক। সোমবার ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহ মনজুর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে রিপন হোসেনকে বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়। রিপন হোসেনকে বরখাস্তের বিষয়টি জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরীক্ষক নিজে উত্তরপত্র না দেখে তার ছাত্রকে দিয়ে মূল্যায়নের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী মো. রিপন হোসেন তার ছাত্রকে দিয়ে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করিয়েছেন। বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হওয়ামাত্র শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। নির্দেশনার পর, পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অবহেলার অভিযোগে গত ৩ আগস্ট তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।’
শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন

১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

জুলাই ১১, ২০২৬
জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী স্বপন
Uncategorized

জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী স্বপন

জুলাই ১০, ২০২৬
Next Post
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে ২০০ মেগাওয়াট

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে ২০০ মেগাওয়াট

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

বরিশালে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বরিশালে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সর্বাধিক পঠিত
ঝালকাঠিতে চোরের আঙুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করলেন গৃহবধূ

ঝালকাঠিতে চোরের আঙুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করলেন গৃহবধূ

আগস্ট ৫, ২০২৬
সাকিব আল হাসানের বাড়িতে প্রেট্রলবোমা বিস্ফোরণ

সাকিব আল হাসানের বাড়িতে প্রেট্রলবোমা বিস্ফোরণ

আগস্ট ৫, ২০২৬
গভীর সমুদ্রে ডাকাতের হামলায় ১২ জেলে আহত

গভীর সমুদ্রে ডাকাতের হামলায় ১২ জেলে আহত

আগস্ট ৫, ২০২৬
পরাজিত শক্তি বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নস্যাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

পরাজিত শক্তি বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নস্যাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

আগস্ট ৫, ২০২৬
টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, ৩ মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ

টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, ৩ মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ

আগস্ট ৫, ২০২৬
হ্যান্ডকাপ

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ, আটক ৩

আগস্ট ৫, ২০২৬
দীর্ঘ প্রেমের পর বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন রোনালদো

দীর্ঘ প্রেমের পর বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন রোনালদো

আগস্ট ৫, ২০২৬
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় শিক্ষার্থীকে দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. রিপন হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রিপন হোসেন উপজেলার ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের বাংলা প্রভাষক। সোমবার ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহ মনজুর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে রিপন হোসেনকে বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়। রিপন হোসেনকে বরখাস্তের বিষয়টি জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরীক্ষক নিজে উত্তরপত্র না দেখে তার ছাত্রকে দিয়ে মূল্যায়নের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী মো. রিপন হোসেন তার ছাত্রকে দিয়ে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করিয়েছেন। বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হওয়ামাত্র শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। নির্দেশনার পর, পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অবহেলার অভিযোগে গত ৩ আগস্ট তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।’

শিক্ষার্থীকে দিয়ে এইচএসসির খাতা মূল্যায়ন, প্রভাষক বরখাস্ত

আগস্ট ৫, ২০২৬
পবিপ্রবিতে ১০ অভিযোগে সহকারী অধ্যাপক ইকবাল বরখাস্ত

পবিপ্রবিতে ১০ অভিযোগে সহকারী অধ্যাপক ইকবাল বরখাস্ত

আগস্ট ৫, ২০২৬
ইরান যুদ্ধে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, ৮০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র শেষ

ইরান যুদ্ধে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, ৮০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র শেষ

আগস্ট ৫, ২০২৬
সাদিক

যে ৭ কারণে হেরে গেলেন মেয়র সাদিক

আগস্ট ২৬, ২০২১
দক্ষিণবঙ্গের প্রথম ভাসমান সেতু এখন মরণফাঁদ

দক্ষিণবঙ্গের প্রথম ভাসমান সেতু এখন মরণফাঁদ

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২১
২৮ নাগরিককে ফাঁসানোর চেষ্টায় বিভিন্ন মহলের নিন্দা

২৮ নাগরিককে ফাঁসানোর চেষ্টায় বিভিন্ন মহলের নিন্দা

জুলাই ২৭, ২০২৬
'সাগরকন্যা এস.এস.সি ৯৫' ফেসবুক গ্রুপের বিরুদ্ধে পিকনিকের নামে প্রতারণার অভিযোগ

‘সাগরকন্যা এস.এস.সি ৯৫’ ফেসবুক গ্রুপের বিরুদ্ধে পিকনিকের নামে প্রতারণার অভিযোগ

জুলাই ২২, ২০২৬
বিজয় বাবুর পানির ব্যবসার কাছে অসহায় বরিশালবাসী

বিজয় বাবুর পানির ব্যবসার কাছে অসহায় বরিশালবাসী

এপ্রিল ২৩, ২০২৫
বাল্যবিয়ে

কাজীরহাটে ভুয়া জন্ম সনদের মাধ্যমে পুলিশ সদস্য রাসেলের বিয়ে

আগস্ট ১৬, ২০২১
যে খাবারে আয়ু কমে

যে খাবারে আয়ু কমে | ভুলেও খাবেন না যে খাবার

জুলাই ২৭, ২০২১
দুই ঘণ্টার ব্যবধানে মঠবাড়িয়ায় বাবা-মেয়ের আত্মহত্যা

দুই ঘণ্টার ব্যবধানে মঠবাড়িয়ায় বাবা-মেয়ের আত্মহত্যা

আগস্ট ১৬, ২০২১
মাথা ব্যথা দূর করার উপায়

মাথা ব্যথা দূর করার উপায় (সম্পূর্ণ ঘরোয়া পদ্ধতি)

আগস্ট ২, ২০২১
৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ৩০ লাখ টাকার রেনুপোনা লুট

৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ৩০ লাখ টাকার রেনুপোনা লুট

জুলাই ২২, ২০২৬

সকল বিভাগের খবর

  • আমাদের সম্পর্কে
  • নীতিমালা
  • প্রাইভেসি পলিসি
  • যোগাযোগ
Call us: +880 1711-993210

© 2026 Somoyer Barta | All rights reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • বিশেষ সংবাদ
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • আইন ও অপরাধ
  • আরও
    • ইতিহাস-ঐতিহ্য
    • এম লোকমান হোসাঈন
    • গেস্ট ব্লগিং
    • ধর্মকথা
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • বরিশাল
    • ভ্রমণ
    • মিডিয়া
    • রংপুর
    • রাজধানী
    • রাজশাহী
    • লাইফস্টাইল
    • শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন
    • সময়ের অনুসন্ধান
    • সাক্ষাতকার
    • সাহায্য’র সংবাদ
    • সাহিত্য আড্ডা
    • স্বাস্থ্য ও জীবন

© 2026 Somoyer Barta | All rights reserved.