মেহেরপুরের গাংনীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে হোসেন আলী ওরফে ‘বোমা হোসেন’ (৫০) নামের সাত মামলার পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজ বাড়ি থেকে আরও দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতার হোসেন আলী গাংনী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মালসাদহ গ্রামের ওহিল উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গাংনীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেলসদৃশ বস্তু পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার ঘটনায় তদন্ত শুরু করে থানা-পুলিশ। একপর্যায়ে প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হোসেন আলীর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হোসেন আলী তার বাড়িতে বিস্ফোরক রাখার কথা স্বীকার করেন। পরে শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত দুইটার দিকে তাকে সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তার দেখানো স্থান থেকে দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, হোসেন আলীর বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি জিআর মামলায় পরোয়ানা রয়েছে। ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



































