বিভাগীয় কমিশনার-ডিসির অবৈধ বালুমহাল ইজারা > এম. লোকমান হোসাইন ॥ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বালুমহাল ইজারা দিয়েছেন বরিশাল জেলা প্রশাসক এবং বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য আসে সময়ের বার্তার হাতে। কেন অবৈধভাবে বালুমহাল ইজারা দেওয়া হয়েছে, অনুসন্ধান করা হয় সময়ের বার্তার পক্ষ থেকে। প্রায় ৭ মাস অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নানা অনিয়মের চিত্র।
চলতি বছরে বরিশাল জেলায় ৮টি বালুমহাল ইজারা দেন জেলা প্রশাসন, যার ৭টিই ইজারা দেওয়া হয়েছে অবৈধভাবে। যা সরকারি কর্মে বিঘœ সৃষ্টিকারী অসদাচরণের মধ্যে পড়ে। এই দুই কর্মকর্তা কর্তৃক বেআইনীভাবে বালুমহাল ইজারা দেওয়ার বিষয়ে অনুসন্ধান চলাকালীন গত বৃহস্পতিবার দুইজনকে দুটি মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর সঠিকভাবে তদন্ত করলে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো: রায়হান কাওছার ও বরিশাল জেলা প্রশাসক মো: দেলোয়ার হোসেনের শাস্তি হতে পারেÑনিম্নপদ বা নিম্নবেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ, বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান এবং চাকরি হতে বরখাস্তের মতো বড় ধরনের দণ্ডনীয় শাস্তি।

একটি বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এই দুই কর্মকর্তা সরকারের নির্দেশ অমান্য করে জেলার ৭টি বালুমহাল বেআইনীভাবে ইজারা দিয়েছেন। তবে কার স্বার্থে ইজারা দেওয়া হচ্ছে তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি জেলা প্রশাসক মো: দেলোয়ার হোসেন।
সরকারি নিয়ম হচ্ছেÑবালুমহাল ঘোষণা বা ইজারা দিতে হলে প্রথমে জরিপ করতে হবে।
জরিপের মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, যে এলাকাটিতে বালুমহালের জন্য ঘোষণা দেওয়া হবে, উক্ত এলাকায় হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগের মাধ্যমে জরিপ করে স্থানীয় বিভাগীয় কমিশনারের কাছে প্রস্তাব পাঠাবে জেলা প্রশাসক। আর বিভাগীয় কমিশনারের কাজ হচ্ছেÑজেলা প্রশাসকের প্রেরিত প্রস্তাব সঠিকভাবে আছে কিনা যাচাই-বাছাই করে বালুমহাল ঘোষণা দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া।
স্থানীয় জেলা প্রশাসক পরিবেশ, পাহাড়-ধ্বস, ভূমিধ্বস অথবা নদী বা খালের পানির স্রোতের পরিবর্তন, সরকারি স্থাপনাÑব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা-ঘাট, ফেরিঘাট, হাট-বাজার, চা-বাগান, নদীর বাঁধ ইত্যাদি এবং আবাসিক এলাকার কোনো ক্ষতি হবে নাÑসে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামত, রাজস্ব অফিসারের ট্রেস ম্যাপ ও তফসিলসহ প্রতিবেদন, নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ সংক্রান্ত প্রতিবেদনসহ বালুমহাল ঘোষণার নিমিত্ত বিভাগীয় কমিশনার বরাবর প্রস্তাব প্রেরণ করার বিধান। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের প্রস্তাব বিবেচনাপূর্বক বিভাগীয় কমিশনার বালুমহাল ঘোষণা করতে পারেন।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এবং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১১, এছাড়া বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন, ২০২৩-এর বিধিমালা অনুযায়ীÑঅভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ জরিপ করে নিশ্চিত করার পরই জেলা প্রশাসক প্রতিবেদন জমা দেবেন বিভাগীয় কমিশনার দপ্তরে।
বরিশাল জেলায় ১৪৩২ বাংলা সনের মোট ৮টি এলাকায় বালুমহাল হিসেবে ইজারা দেন জেলা প্রশাসক। সময়ের বার্তার হাতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়Ñ২০২৩ সালে একটি মাত্র এলাকার জরিপ করা হয়েছে। বাকি ৭টি এলাকা এখনো জরিপ করা হয়নি। বিষয়টি সময়ের বার্তাকে নিশ্চিত করেছেন জরিপ কাজে নিয়োজিত অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক (জরিপ)-৫ মো: মোস্তাফিজুর রহমান।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন সময়ের বার্তাকে জানানÑবালুমহাল মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী বালুমহাল ঘোষণা দেওয়ার আগে অবশ্যই হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ থেকে জরিপ কাজ সম্পাদন করে প্রতিবেদন পাওয়ার পর জেলা প্রশাসক বালুমহাল ঘোষণা করতে পারবেন। এছাড়া কোনো বালুমহাল ঘোষণা করার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেনÑইতিপূর্বে কখনো হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ কর্তৃক জরিপ না করা হলে উক্ত এলাকা ইজারা দেওয়া যাবে না।
সরকারি এমন নির্দেশনা থাকার পরেও বরিশাল জেলা প্রশাসক মো: দেলোয়ার হোসেন ও বিভাগীয় কমিশনার মো: রায়হান কাওছার সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বরিশাল জেলার একটি বৈধ বালুমহালসহ মোট ৮টি মৌজায় বেআইনীভাবে বালুমহাল হিসেবে ইজারা দেন, যা সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ বেআইনী।
১৪৩২ বাংলা সনে বালুমহাল ইজারা দেওয়া এলাকা ও মৌজাগুলো হচ্ছেÑ
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার আওতাধীন খয়রাবাদ নদীর উত্তর নারাঙগল, মৌজা ৫৬ নং উত্তর নারাঙগল, দাগ নং ৪১৯, আয়তন ১০.১২ একর।
খয়রাবাদ নদীর বোয়ালিয়া, মৌজা ১৫০ নং বোয়ালিয়া, দাগ নং ১৮২০, আয়তন ২৪.৬২ একর।
তেতুলিয়া নদীর চরদূর্গাপাশা, ১১৬ নং মৌজা, দাগ নং ৫৯, আয়তন ১২.০৮ একর।
কারখানা নদীর পশ্চিম চররঘুনাথদি, ১৩৮ নং মৌজা, দাগ নং ০১, আয়তন ৫০ একর।
বানারীপাড়া উপজেলার সন্ধ্যা নদীর খেজুরবাড়ি, ৪৪ নং মৌজা, দাগ নং ১২৩, আয়তন ২.০০ একর।
সন্ধ্যা নদীর নবগ্রাম, ৪৮ নং মৌজা, দাগ নং ২০৮, আয়তন ২ একর।
সন্ধ্যা নদীর মসজিদবাড়ি, ২৬ নং মৌজা, দাগ নং ১২১, আয়তন ৫ একর।
এবং বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলা আওতাধীন মেঘনা নদীর ৩৫ নং সৈয়দ খালী সাওড়া মৌজা, দাগ নং ৩৮৭৮-৩৮৮১, আয়তন ১০০ একর।
যার মধ্যে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম চররঘুনাথদি, ১৩৮ নং মৌজার ১ নং দাগে ১৪৩২ বাংলা সনে বালুমহাল ঘোষণা ও ইজারা প্রদানের লক্ষ্যে মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩) ও বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১১ অনুযায়ী হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ কাজ সম্পাদন করে ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর জেলা প্রশাসক বরিশাল বরাবর জরিপের প্রতিবেদন প্রেরণ করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ।
জেলা প্রশাসক মো: দেলোয়ার হোসেন যা করেছেনÑতা হচ্ছে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো ও ক্ষমতার অপব্যবহার ছাড়া আর কিছুই না।
জেলা প্রশাসক বরিশাল হিজলা উপজেলাধীন মেঘনা নদীর ৩৫ নং সৈয়দ খালী সাওড়া মৌজার ৩৮৭৮-৩৮৮১ দাগের ১০০ (একশত) একরসহ ৭টি বালুমহাল ঘোষণা দিয়ে ১৪৩২ বাংলা সনে ইজারা প্রদান করেছেন।
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন 2023
বেআইনীভাবে বালুমহাল কেন ইজারা দেওয়া হয়েছে জানতে লিখিত আবেদন করা হয় জেলা প্রশাসক বরিশালের দপ্তরে। পরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনগড়া জবাব দিয়ে দায় এড়ানোর নামমাত্র জবাব দিয়ে এড়িয়ে যান।
হিজলা উপজেলাধীন মেঘনা নদীর ৩৫ নং সৈয়দ খালী সাওড়া মৌজার ৩৮৭৮-৩৮৮১ দাগের ১০০ (একশত) একর এলাকা নিয়ে হাইকোর্টে দীর্ঘদিন যাবৎ একাধিক রিট মামলা চলমান। মামলার এখনো কোনো সমাধান হয়নি। যে কারণে গত বছর তৎকালীন জেলা প্রশাসকও ইজারা দেননি।
হিজলা উপজেলাধীন মেঘনা নদীর ৩৫ নং সৈয়দ খালী সাওড়া মৌজার ১০০ একর এলাকায় বেআইনীভাবে বালুমহাল ঘোষণা দেওয়ায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সরকারের উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করার পাশাপাশি মানববন্ধন করেছেন। স্থানীয়দের দাবিÑমেঘনা নদীর সৈয়দখালী সাওড়া মৌজায় জেলা প্রশাসক বরিশাল অবৈধভাবে ইজারা দেওয়ায় মেঘনা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় জমির মালিকরা।
বেআইনীভাবে হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীর ৩৫ নং সৈয়দ খালী সাওড়া মৌজার ১০০ একর এলাকায় বালুমহাল ইজারা বাতিলের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক বরিশাল বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন হিজলা উপজেলা নদী ও ভূমি রক্ষা কমিটির আহবায়ক ভাষাসৈনিক নায়েব আ: কুদ্দুস।
লিখিত আবেদনে তিনি অভিযোগ করেনÑহিজলা উপজেলার মেঘনা নদীভাঙন থেকে হিজলা গৌরবদী, গুড়াবাড়িয়া, বড়জালিয়া ইউনিয়নের ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এলাকা ভাঙন রক্ষায় সরকার ৬৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে এলাকা রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে। মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হলে সরকারের ৬৩০ কোটি টাকা ব্যাহত হচ্ছে। চলতি বছরের ১৩ মে দায়ের করা ওই অভিযোগে ভাষাসৈনিক আ: কুদ্দুস আরও বলেনÑপ্রতিদিন একশটির বেশি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
এমনকি ইজারা দেওয়া এলাকার বাইরেও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে। ফলে জেলেরা মাছ ধরতে পারছে না, ইলিশ মাছের প্রজনন কমে যাবেÑউল্লেখ করেন তিনি।
একই দাবিতে বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষ নদীভাঙন থেকে রক্ষা পেতে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

প্রশ্ন হচ্ছে, বালুমহাল ইজারা দিয়ে সরকার রাজস্ব পাচ্ছেন, কিন্তু সেই রাজস্ব কি সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি, কৃষিজমি নদীতে বিলীন করে আদায় করা হবে? নাকি আগে জনগণকে রক্ষা করা উচিতÑপরে উপযুক্ত সময় ও স্থান বুঝে বালুমহাল ইজারা দিয়ে রাজস্ব আদায় করা উচিত?
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বরিশাল বিভাগের সমন্বয়কারী ও জাতীয় নদী সুরক্ষা কমিটির বরিশাল জেলা সুরক্ষা কমিটির সদস্য এবং জেলা নদী রক্ষা কমিটির সদস্য মো: রফিকুল আলম সময়ের বার্তাকে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ থেকে জরিপ না করে বালুমহাল ঘোষণা দেওয়া বড় ধরনের অন্যায়। জরিপ ছাড়া বালুমহাল ইজারা দিলে একদিকে সরকারি আইন অমান্য করা হয়, অন্যদিকে পরিবেশ ও জলাশয় নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ইজারাকৃত এলাকার আশপাশ নদীতে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকেÑযার ফলে স্থানীয়দের ক্ষতি হয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বরিশাল বিভাগের সমন্বয়কারী লিংকন বায়ন সময়ের বার্তাকে বলেনÑঅভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ থেকে জরিপ ছাড়া বালুমহাল ঘোষণা দেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায় এবং আইন বহির্ভূত কাজ। পরিবেশ ও জলাশয়ে ক্ষতি হবে এমন কাজ বেআইনীÑযদি কেউ করে থাকেন তিনি অন্যায় করেছেন।
উল্লেখ্য,সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী সরকারের নির্দেশ অমান্য করা একটি বড় ধরনের অপরাধ। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৫৭ নং আইন) এর ধারা ৩৭(ক)-এ বলা আছেÑযদি কোনো সরকারি কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করেন, আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে সরকারের কোনো আদেশ, পরিপত্র বা নির্দেশ অমান্য করেন বা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত করেনÑতাহলে তিনি দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডভোগ করবেন।
যেখানে শাস্তি হতে পারে,
(ক) নিম্নপদ বা নিম্নবেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ,
(খ) বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান,
(গ) চাকরি হতে বরখাস্ত।
আর যেহেতু বিভাগীয় কমিশনার মো: রায়হান কাওছার ও জেলা প্রশাসক মো: দেলোয়ার হোসেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরতÑতাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান না করা হলে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব অবহেলাসহ নানা অপরাধে আরও বেশি জড়িয়ে পড়বেনÑএমনটাই দাবি সাধারণ মানুষের।
প্রশ্ন হচ্ছে,সরকারের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কার স্বার্থে জরিপ না করেই জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার চেয়ারেই বসে তড়িঘড়ি করে বেআইনীভাবে বালুমহাল ইজারা দিয়েছেন? যা তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবেÑসরকারি নির্দেশ অমান্য করে কেন ইজারা দেওয়া হয়েছে।
উক্ত বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
আমাদের সাথে ইউটিউব চ্যানেলে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে ফেইজবুক পেইজে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন। গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।





























