সত্যি হল সংবাদ।। আমদানি না করেই ২’শ থ্রি হুইলারের রেজিস্ট্রেশন!> এম. লোকমান হোসাঈন ॥ অনিয়মের বিষয় স্বীকার করে কোনমত দায়সারা জবাব দিয়েই দুর্নীতির্বাজ কর্মকর্তাদের পার করে দিলেন বিআরটিএ এর ঢাকা অফিসের কর্তৃপক্ষ! দেশে আমদানি না করেই অবৈধ উপায়ে বৈধ করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে, অনুসন্ধান শুরু করেন,
সময়ের বার্তা পত্রিকার সাংবাদিক। অনুসন্ধানকালে সময়ের বার্তা‘র সাংবাদিককে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়, বরিশাল বিভাগীয় অফিসের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো: জিয়াউর রহমান (পিএএ) সহ দুর্নীতির সাথে জড়িতরা। সংবাদ প্রকাশের পর পর বরিশাল সহ বিআরটিএর ঢাকা সদর দপ্তরে হৈইচই পরে যায়। সময়ের বার্তায় সংবাদ প্রকাশের পর বরিশালের কিছু স্থানীয় পত্রিকায় অর্থের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করে,
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দিয়ে কোন মতে বেঁচে গেলেও অনুসন্ধানে নামে বিআরটিএ এর ঢাকা সদর দপ্তর। ঢাকা সদর দপ্তর, বিআরটিএ এর উপপরিচালক মো: তৌহিদুল ইসলাম তুষার দাবী করেন, সময়ের বার্তায় যে তারিখে বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, সঠিক। অর্থাৎ ১৩-০৮-২০২৩ ইং তারিখেই উক্ত অফিসের অ্যাসিষ্ট্যান্ট কর্তৃক পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এর শাখায় অনুমোদনের জন্য উপস্থপনা করা হয়।
[box type=”info” align=”aligncenter” class=”” width=””]অনিয়মের বিষয় স্বীকার করে দায়সারা প্রতিবেদন জাল-কাগজপত্র তৈরি করে রেজিস্ট্রেশন কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে সরকার সদর দপ্তর অনুমোদন দেওয়ার আগেই রেজিস্ট্রেশন[/box]
যা রেজিস্ট্রেশন প্রদানের একদিন পরে (১৪-০৮-২০২৩) ইং তারিখে অনুমোদিত হয়। এবিষয় অস্বীকার করে আসছেন,বরিশাল অফিসের কর্মকর্তারা। অনুমোদন দেওয়ার একদিন আগে কিভাবে ডি-নথিতে এবং বিআরটিএ আইএস সফটাওয়্যারে আপলোড করা হয়েছে, তার প্রশ্ন থেকেই গেল। আইনগত ভাবে নিয়ম হচ্ছে, উপস্থপনা আর অনুমোদন এক বিষয় না।
কিভাবে ফর্সা হওয়া যায় (সেরা ১৫টি সহজ উপায়)
গাড়িগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুমোদন না দিয়ে বাতিল করে দিলে হয়রানির শিকার হত থ্রি হুইলার ক্রয়কৃত মালিক পক্ষ। শুধু তাই না, সরকারী নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদনের পূর্বে কোন ভাবে সফটাওয়্যারে আপলোড বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার বিধান নাই। অতএব বিগত ১০ সেপ্টেম্ব-২০২৪ তারিখে সময়ের বার্তায় প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক বলেই বিবেচিত হয়। দায়সারা প্রতিবেদন প্রদানকারী,
উপপরিচালক মো: তৌহিদুল ইসলাম তুষার লিখিতপত্রে আরো জানান, সংবাদ প্রকাশ হলে, এমন ঘটনার বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর ২৬ সেপ্টেম্ব-২০২৪ বিআরটিএ আইএস সিস্টেমে সংশোধন আনয়ন করা হয়েছে। যে কারণে পূর্বের মত নথি অনুমোদনের পূর্বেই মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন প্রদানের সুযোগ নেই। উল্লেখ্য যে, জাল-কাগজপত্র তৈরী করে,
ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের ইন্টারভিউ প্রশ্ন সমূহ
দুইশতাধিক থ্রি হুইলারের রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য আসে সময়ের বার্তার হাতে। ২০২৩ এর শেষের দিকে ভূয়া এলসি নম্বার, চালনপত্র ও বিল অফ এন্ট্রি নং এর মাধ্যমে ভারত থেকে গাড়ি আমদানি করা হয়েছে দাবী করে দুইশতাধিক থ্রি হুইলারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদকৃত গাড়িগুলোর অধিকাংশ গাড়িই বরিশাল নগরীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, সরকারী কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে,
আমদানি না করে কিভাবে বাংলাদেশে গাড়িগুলো এসেছেন। এযেনো সুভঙ্কারের ফাঁকি! বিআরটিএ বরিশাল অফিসের একেক কর্মকর্তার একেক রকমের লিখিত মন্তব্য পাওয়া গেছে। তবে বিআরটিএ এর বরিশাল বিভাগীয় সদর দপ্তর থেকে শুরু করে বরিশাল সার্কেল অফিসের কেউই সঠিক তথ্য দিতে আগ্রহী নন। সবাই নিজ নিজ স্থান থেকে দায় এড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
এমনকি সদর দপ্তর অনুমোদন দেওয়ার আগেই গাড়িগুলোর রেজিষ্ট্রশন, করে দেন বরিশাল সার্কেল অফিসের কর্মকর্তারা। যার তথ্য প্রমান সময়ের বার্তা হাতে সংরক্ষিত। ভারত থেকে দাবী কারা, ২৩৮৭৭৮২৩১ চালান এর বিল অফ এন্ট্রি নং-সি-১৯৭১৭ এর আওতায়, থ্রি-হুইলারগুলো সিকেডি অবস্থায় আমদানিকৃত গাড়িগুলোর ১৪ আগস্ট ২০২৩ এ বিআরটিএ এর সদর দপ্তর অনুমোদন দেওয়ার একদিন আগে ১৩ আগস্ট বরিশাল বিআরটিএ সার্কেল অফিস গাড়িগুলোর রেজিষ্ট্রশন দেন ভারতীয় প্রস্তুতকৃত বাজাজ কোম্পানীর থ্রি-হুইলার মডেল- BAJAJ BR LPG (198.88cc) মডেল এর রেজিস্ট্রেশনকৃত গাড়িগুলোর মধ্যে বরিশাল মেট্টোÑথ-১১-১৯৩০ থেকে বরিশাল মেট্টো-থ-১১-২১৪৬ পযর্ন্ত রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির তালিকা পাওয়া গেছে। দেশে গাড়ি আমদানি না করেই প্রায় বিশ কোটি টাকা মূল্যের দুইশতাধিক গাড়ির নামে দেওয়া হয়েছে বিআরটিএ এর লাইন্সেস। দেশে আমদানি না করে কিভাবে লাইন্সেস দেওয়া হয়েছে,
এবিষয় অনুসন্ধান করে, দৈনিক সময়ের বার্তা। সময়ের বার্তা‘র হাতে আসা প্রাপ্ত তথ্যের সূত্রধরে র্দীঘ এক বছর এই অনুসন্ধান করে, বেড়িয়ে আসে থলের বিড়াল! বিআরটিএ বরিশাল সার্কেল অফিসে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনার অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ভারতের প্রস্তুুতকৃত কোম্পানী, বাজাজ কোম্পানীর থ্রি-হুইলার মডেল- BAJAJ BR LPG (198.88cc) প্রায় ১৮৭টি থ্রি হুইলার, একদিনে রেজিস্ট্রেশন দেয়, বরিশাল বিআরটিএ সার্কেল অফিস এর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) মো: রুকনুজ্জামান সহ সংশি¬ষ্ট্র কর্মকর্তারা।
২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর বাংলাদেশ রোড় ট্রান্সপোর্ট অথরিটি,বরিশাল সার্কেল অফিসের মোটরযান পরির্দশক ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস এর কাছে জানতে চাওয়া হয়, রেজিস্ট্রেশনকৃত গাড়িগুলো মধ্যে বরিশাল মেট্টোÑথ-১১-১৯৩০ থেকে বরিশাল মেট্টো-থ-১১-২১৪৬ পযর্ন্ত যেসকল গাড়ির লাইন্সেস প্রদান করা হয়েছে, উক্ত গাড়ির মালিকদের নাম ঠিকানা সহ আমদানিকৃত গাড়ির এলসি এর প্রমানপত্রর ফটোকপি। একই বছর ১২ নভেম্বর তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস লিখিত পত্রে তার জবাবে উলে¬খ করেছেন, তথ্যগুলোর মধ্যে মালিকদের নাম ঠিকানা তার দপ্তরে সংরক্ষিত আছে তবে সরবরাহ সম্বব না।
এছাড়া তিনি দাবী করছেন, উক্ত গাড়িগুলো ৫টি এল সি নং উলে¬খ করে জানান, উলে¬খিত এল সি এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে। এলসি নম্বরগুলো সময়ের বার্তা‘র দপ্তরে সংরক্ষিত আছে। সময়ের বার্তা’র হাতে প্রাপ্ত গাড়িরগুলোর চেসিস,ইঞ্জিন, চালান নং ও বিল অফ এন্ট্রি নং এবং বিআরটিএ অফিস থেকে প্রাপ্ত এল সি নং উলে¬খ করে, কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম, কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বরাবর তথ্য অধিকার আইনে জানতে চাওয়া হয়। কাস্টম হাউস চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষ তাদের লিখিত জবাবে দাবী করেন, উলে¬খিত তথ্যগুলো যেহেতু তাদের দপ্তর সংশি¬ষ্ট না হওয়া তথ্য প্রদান করা সম্বব নয়।
ইফতারির ফজিলত ও ইফতারির সময়
বিষয়টি আরো নিশ্চিত হতে, তথ্য কমিশন এ অভিযোগ করা হলে সেখানেও একই দাবী করে বলেন, চাহিত তথ্য তাদের দপ্তর নয় বিধায় তথ্যগুলো দেওয়া সম্বব না। সময়ের বার্তা‘র পক্ষ থেকে আরো অনুসন্ধান করার জন্য, কাস্টম হাউস আইসিডি,কমলাপুর, ঢাকা, এর অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ আসাদ-উজ-জামান বরাবর একই বিষয় জানতে ৭ জুন ২০২৪ এ তথ্য অধিকার আইনে জানতে চাওয়া হলে, ৭ জুলাই তথ্য প্রধানকারী কর্মকর্তা ও ডেপটি কমিশনার কাস্টম হাউস,আইসিডি,ঢাকা এর জোবায়দা খানম লিখিত জবাবে জানান, বিল অফ এন্ট্রি নং সি ১৯৭১৭. তারিখ ১৬-জুলাই-২০২৩, বিল অফ এন্ট্রি নং সি ১৭০১৮. তারিখ ১৫-জুন-২০২৩, বিল অফ এন্ট্রি নং সি-১৭০১৭. তারিখ ১৫ জুন-২০২৩ এ উলে¬খিত পণ্যসমূহ পার্টস আকারে আমদানি করা হয়েছে।
আমদানিকৃত পন্যসমূহ রানার অটোমোবাইলস পিএলসি কোম্পানির মাধ্যমে ভারতীয় বাজাজ কোম্পানী থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা হয়। বরিশাল বিআরটিএ সার্কেল অফিস থেকে প্রাপ্ত ৫টি এলসি এর মধ্যে ২টি এলসি দিয়ে ভারত থেকে গাড়িগুলো পার্টস আকারে বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে।বাকি তিনটি এলসি কোথায় থেকে কিভাবে এসেছে, এবিষয় জানতে সাবেক তথ্য কর্মকর্তা ও মোটরযান পরিদর্শক এবং বর্তমান একই দপ্তরে সহকারী পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন, তিনি যখন তথ্য প্রদান করেছেন,তখন ৫টি এলসি এর মাধ্যমেই গাড়িগুলো বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে এর বেশি কিছু মন্তব্য করতে রাজি নন তিনি।
বরিশাল বিআরটিএ সার্কেল অফিসের মোটরযান পরিদর্শক সৌরভ কুমার সাহা এর কাছে জানতে চাইলে তিনি এর কোনো সদত্তর দিতে পারেননি। গাড়িগুলো রেজিষ্ট্রেশন দেওয়া কালীন সময়ে দায়িত্বে থাকা সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) রুকনুজ্জামান (বর্তমান ঢাকা সদর দপ্তরে কর্মরত) তিনি বলেন, নিয়ম মেনেই গাড়িগুলোর রেজিষ্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে। ৫টি এলসি কিভাবে কোথায় থেকে পেয়েছে, এবিষয় জানতে চাইলে মন্তব্য না করে এড়িয়ে যান। বরিশাল বিভাগীয় সদর দপ্তর এর পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো: জিয়াউর রহমান (পিএএ) সময়ের বার্তাকে বলেন, ভারত থেকে উক্ত গাড়িগুলো বাংলাদেশে পার্টস আকারে আমদানি করা হয়েছে, এখানে কোনো মিথ্যা তথ্য কিংবা জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দেওয়া হলে, সে দায় কোম্পানীর,
Daily Skin Care Tips: দিনে ও রাতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সহজ পদ্ধতি
কারণ কোম্পানী যে কাগজপত্র দিয়েছেন তার উপর ভিত্তি করে রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন। সময়ের বার্তা‘র হাতে প্রাপ্ত তথ্যনুযায়ী,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর সাবেক মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল¬াহকে ম্যানেজ করে বরিশাল বিআরটিএ সার্কেল অফিস ৫শত সিএনজি (থ্রি হুইলার) রানা অটোমোবাইলস কোম্পানী সহ বেশ কিছু কোম্পানীর মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন দেওয়ার উদ্যোগ নেন। বাংলাদেশে গাড়িগুলো পার্টস আকারে আমদানি করা হয়েছে, দাবি করে ইতিপূর্বে প্রায় তিন শতাধিক থ্রি হুইলারের রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন, যার অধিকাংশ গাড়ি
বাংলাদেশে আমদানি করা হয়নি। বিদেশ থেকে বাংলাদেশে পার্টস আকারে আমদানি করা গাড়িগুলোর কাগজপত্র যাচাইবাছাই করে নিশ্চিত হওয়া গেছে, কিছু নামমাত্র গাড়ি বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে, বাকি গাড়িগুলো অবৈধ পথে দেশে আমদানি করে, রানা অটোমোবাইলস পিএলসি কোম্পানী,বরিশাল বিআরটিএ সার্কেল অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) রুকনুজ্জামান,
বর্তমান সহকারী পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস ও মোটরযান পরিদর্শক সৌরভ কুমার সাহা, সহ বরিশাল বিভাগীয় অফিসের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো: জিয়াউর রহমান (পিএএ) এর যোগসাজে কিছু জাল কাগজপত্র তৈরী করে গাড়িগুলোর রেজিষ্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে। যার তথ্য প্রমান সময়ের বার্তা‘র কাছে সংরক্ষিত। দায়সারা প্রতিবেদনে অনিয়মের বিষয় স্বীকার করার পরেও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত নেওয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা।
পূর্বে প্রকাশিত সংবাদটি পড়ুন:
দেশে আমদানি না করেই ২‘শ থ্রি হুইলারের বিআরটিএ‘র রেজিস্ট্রেশন!
কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদদের তালিকা সংগ্রহ চলছে-২০২৪
যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুন। এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে




























