ভোলার মনপুরায় টানা বর্ষণে পানিবন্দি অবস্থায় গত ৮ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত দুর্গত এলাকায় খেটেখাওয়া ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে শুকনো খাবার (ত্রাণ) নিয়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কেউ পাশে দাঁড়ায়নি।
এদিকে সোমবার দুপুর ২টায় অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মনপুরা উপজেলা ঘূর্ণিঝড় ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন জানান, সরকারিভাবে বরাদ্দ না পাওয়ায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়নি। বরাদ্দ পেলে সহযোগিতা করা হবে। টানা বর্ষণে ৫টি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। ২০টি ঘর আংশিক ক্ষতি হয়। এছাড়াও ২৫ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক ক্ষতি হয়। পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষের ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে সোমবার সকাল থেকে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা দুর্গত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের সহযোগিতা করছেন বলে জানান উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মিজানুর রহমান ও সদস্য সচিব হোসেন হাওলাদার। তারা জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলা নয়নের নির্দেশে মাঠে থেকে দুর্গতদের সহযোগিতা করা হচ্ছে।
দেখা গেছে, ৮ দিন পর পানি বাসা-বাড়ির ভিতর থেকে নেমে গেলেও এখানো বাড়ির উঠান ও পাকা-কাঁচা সড়ক হাঁটু পানিতে ডুবে রয়েছে। এদিকে বাসা-বাড়ি থেকে পানি নেমে যাওয়া কাদামাটির স্তূপ পড়ে রয়েছে। বাসিন্দারা কাদামাটি বাড়ি থেকে সরাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা সরকারি আবাসন প্রকল্পে বসবাসকারি বাসিন্দাদের। এখানে বসবাস করা নিম্নআয়ের মানুষ ও খেটেখাওয়া মানুষ ঘর থেকে বের হতে না পারায় কর্মহীন হয়ে পড়েন। তাদের আয়-রোজগার করতে না পারায় পরিবারের সদস্যরা অর্ধাহারে-দিনযাপন করেছেন। কেউ সহযোগিতা না করায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবু মুছা সাংবাদিকদের জানান, দুর্গত এলাকার মানুষদের সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।































