অনলাইুন ডেস্ক: আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সপক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আপাতত কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
শামা ওবায়েদ বলেন, আল-কায়েদা সম্পর্কিত এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশ সমর্থন করে না।
তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বিগত আওয়ামী লীগ সরকার অতীতে এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে এবং এটি তাদের রাজনৈতিক কৌশলের অংশ ছিল।
তিনি আরও জানান, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনেও এ বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বক্তব্য দেবেন।
রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সরকার সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, শুধু ঘোষণা দিয়ে বা প্রতিবাদ জানালেই এ সমস্যার সমাধান হবে না। রোহিঙ্গা সংকট অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং জটিল একটি বিষয়।
তার ভাষ্য, সাবেক শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে করা দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো এ সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তিনি বলেন, কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। শুরুতেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে সংকট এতটা ঘনীভূত হতো না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশন অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।
মিয়ানমারের সাম্প্রতিক রোহিঙ্গাবিষয়ক বক্তব্যের প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওই তথ্যের সঙ্গে বাংলাদেশ একমত নয়। তবে এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।
সীমান্ত সুরক্ষা এবং রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, সীমান্ত এলাকায় এ বিষয়ে দৃশ্যমান ও অন্তরালে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চলছে। সরকার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।




































