মেডিনোভা সেন্টারে ডাক্তারের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া রিপোর্ট বাণিজ্য! >> স্টাফ রিপোর্টার ॥ পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট দেখার চিকিৎসক নেই, তবুও মাত্র ১৫ মিনিটেই মিলছে রক্ত পরীক্ষাসহ আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট! দালালনির্ভর প্রতিষ্ঠান বগুড়া রোডস্থ বরিশাল মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মত দালালনির্ভর প্রতিষ্ঠানগুলোতে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা অংসখ্য রোগীদের সাথে চিকিৎসার নামে অবৈধ ব্যবসা করে আসছে বরিশাল নগরীর ডায়াগনস্টিকগুলো।
অসহায় সাধারণ মানুষকে নিয়ে অবৈধভাবে বাণিজ্য করে ফুলে-ফেঁপে উঠছে একটি গোষ্ঠি! যার মধ্যে প্রথম সারিতে আছেন সাংবাদিক, পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্তাবাবুরা, স্বাস্থ্য বিভাগ, পুলিশ প্রশাসনসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বিষয়টি জেনেও যথাযথ ব্যবস্থা না নিয়ে এড়িয়ে যাচ্ছেন। যেকারণে বেসরকারী বিভাগে চিকিৎসাকে সেবার নামে বাণিজ্য করে আসছে একটি গোষ্ঠি। বরগুনা হাসপাতালের ডাক্তারের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসা নিতে, বরগুনা জেলার সদরের ৯ নং বালিয়াতলী ইউনিয়ান বাঁশরী গ্রাম বাসিন্দা মৃত তাহের আলী হাওলাদারের ছেলে হাবিবুর রহমান, বরিশালে সার্জারি ডাক্তার প্রফেসর প্রদীপ কুমারকে দেখাতে আসেন।
নারী-পুরুষ: বীর্য বা ধাতুর জন্মকথা
২৭ ডিসেম্বর-২০২৫ তারিখে বাসযোগে বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে আসামাত্র রিক্সাচালক বেশে থাকা রোগী দালালের খপ্পরে পড়েন হাবিবুর রহমান। হাবিবুরকে নিয়ে যাওয়া হয়, নগরীর বগুড়ারোডস্ত দালাল নির্ভর প্রতিষ্ঠান বরিশাল মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। পরে সর্বরোগের চিকিৎসক মোহাম্মদ মোস্তফা ৮শত টাকার ভিজিটি নিয়ে রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রামসহ আরো ৮ হাজার টাকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। ৮ হাজার ৮শত টাকা নিলেও দেওয়া হয়নি কোনো ক্যাশ ম্যামো।
রক্ত পরীক্ষায় হাবিবুর রহমানের হিমোগ্লোবিন ১০.১ গ্রাম/ডেসিলিটার দেখানো হয়েছে, একই ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিন বরগুনার একটি ডায়গনস্টিক এবং বরিশালের আরেকটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করে দেখা যায়, হাবিবুর রহমানের হিমোগ্লোবিন ১৪.৮ গ্রাম/ডেসিলিটার। আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষায়ও একই রকম ভূল রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পুরো পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি লিভারের আকার স্বাভাবিক (১৩.৮ সেমি)। প্যারেনকাইমাল ইকোটেক্সচার একই রকম। কোনও ফোকাল ক্ষত দেখা যায় না।
pregnancy খাদ্যাভ্যাস প্রজনন ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে কি
পিত্তথলির আকার স্বাভাবিক দেখানো হয়েছে এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন, ডাঃ জাসিয়া সিদ্দিকী এমবিবিএস, পিজিটি (গাইনিজ ও অবস) ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল আল্ট্রাসাউন্ড। যদিও ডাক্তার জাসিয়া সিদ্দিকীর দাবী তিনি বরিশাল মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একসময়ে চেম্বার করতে কিšুÍ বর্তমানের তিনি সেখানে চেম্বার করেন না এ
বং তার স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে। এবিষয়ে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন বরাবর অভিযোগ দায়ের করবেন বলে সময়ের বার্তাকে নিশ্চিত করেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিঠু বলেন, ডাক্তার জাসিয়া সিদ্দিকী নিজেই স্বাক্ষর করেছেন, বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানের বদনাম করার জন্য ডাক্তার এই কৌশল করছেন। তবে সময়ের বার্তার কাছে থাকা ভিডিও বার্তায় দেখা যায়, ডাক্তার জাসিয়া সিদ্দিকী ঘটনার তিন/চার দিন পরে
অন্য একটি ডায়াগনস্টিক চেম্বারে রোগী দেখার সময়ে হঠৎ রোগী হাবিবুর রহমান উপস্থিত হলে তখন মেডিনোভায় করা রিপোর্টে তার স্বাক্ষর দেখে সন্দেহ হলে রোগীর কাছে জানতে চাওয়া হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়ে তাকে (ডাক্তার জাসিয়া সিদ্দিকী) কে দেখছেন কিনা? উত্তরে রোগী ও রোগীর সাথে থাকা রোগীর মেয়ে বলেন, না। তারা বর্তমানে যিনি উপস্থিত তিনি সেই ডাক্তার জাসিয়া সিদ্দিকী না।
উক্ত বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
আমাদের সাথে ইউটিউব চ্যানেলে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে ফেইজবুক পেইজে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন। গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।




























