ভোলা সদর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুল কক্ষে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক অশোক চন্দ্র দাস উপজেলার ৪২নং ধানিয়া ইউপি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক।
আজ সোমবার (২২জুন) অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্থানীয়রা। এর আগে রোববার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভোলা সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন। অপরদিকে এঘটনার পরের দিন অভিযুক্ত শিক্ষক অশোক চন্দ্র দাস পুরো পরিবারসহ আত্মগোপনে রয়েছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫জুন বেলা ১১টার দিকে স্কুল চলাকালীন অভিযুক্ত শিক্ষক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় চিলেকোঠায় ডেকে নিয়ে যান। পরে সেখানে ওই শিক্ষার্থীকে জোর পূর্বক পাশবিক নির্যাতন চালায়। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মাকে জানায়। এর আগে শিক্ষক অশোক চন্দ্র দাস ওই শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতন করেছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর পরিবার বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ঘটনাটি জানায় এবং সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিরিন আক্তার জানান, ঘটনার পরদিন শিক্ষার্থীর বাবা ও আত্মীয়স্বজন এসে তাকে পুরো বিষয়টি জানালে তিনি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।
ভোলা সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অসীম প্রসাদ বিশ্বাস জানান, তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরে তিনি শিক্ষার্থীর ও অভিভাকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। আমরা অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।




























