নিজস্ব প্রতিবেদক: বকেয়া মজুরি, ওভারটাইম, নাইট বিল ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধ এবং কারখানা বিক্রি হলে শ্রমিকসহ হস্তান্তরের দাবিতে বরিশালে অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার লিমিটেডের শ্রমিক-কর্মচারীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন।
রোববার (২৮ জুন) সকাল ১০টায় কারখানার প্রধান ফটক থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি গ্যাস টার্বাইন এলাকা হয়ে রূপাতলী গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সকাল ১১টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা রূপাতলী গোলচত্বরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন শ্রমিকরা। কর্মসূচিতে তিন শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। অবিলম্বে দুই মাসের বকেয়া মজুরি, ওভারটাইম, নাইট বিল ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধের পাশাপাশি কারখানা বিক্রি হলে শ্রমিকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শ্রমিকসহ কারখানা হস্তান্তরের দাবি জানান।
আরও পড়ুন: https://jagorik.com/category/%e0%%a6%bf/#google_vignette
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার লিমিটেড শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজি নং-বরিশাল ৫৪)-এর সভাপতি সেলিম সর্দার। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তী, বাসদ জেলা শাখার সদস্য গাজী মো. বেল্লাল হোসেন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট বরিশাল জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সোনারগাঁও টেক্সটাইল শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনি, মেডিমেট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সোনিয়া আক্তার, অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার লিমিটেড শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. পাভেল হাওলাদার এবং গ্লোবাল ক্যাপসুল শ্রমিক ইউনিয়নের (প্রস্তাবিত) সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম শাহাদাত।
এসময় বক্তারা বলেন, কারখানা বন্ধের নোটিশ পাওয়ার পর গত ১৮ দিন ধরে শ্রমিক-কর্মচারীরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। দুই মাসের বকেয়া পাওনা পরিশোধ না হওয়ায় অনেক শ্রমিক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। পাশাপাশি সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধ এবং কারখানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় শ্রমিকদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
তারা আরও বলেন, আগামী ৩০ জুন জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমিকদের সব দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ওই বৈঠকে বকেয়া পাওনা পরিশোধ ও চাকরির নিরাপত্তার বিষয়ে সন্তোষজনক সমাধান না এলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। প্রয়োজনে সকল কারখানার শ্রমিকদের নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধের কর্মসূচিও দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিক নেতারা।





























