‘ফ্যাসিস্ট’ ফরচুন মিজানের বিএনপিতে ডিগবাজি! স্টাফ রিপোর্টার ॥ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে বিভাগীয় ব্যবসায়ী ফোরাম এর পক্ষ থেকে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট শিল্পপতি মোঃ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এ সময় তার পাশে ছিলেন বরিশাল ফরচুন সুজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান। শিল্পপতি মিজানুর রহমান বরিশালে আ.লীগের চিহ্নিত দোসর হওয়ায় কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্যর পাশাপাশি ছবি তোলায় এবং ঘনিষ্ঠভাবে থাকতে দেখায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহ অনেক
বিএনপি নেতা কর্মীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকেই বলছেন- বরিশালে আ.লীগের চিহ্নিত দোসর এই শিল্পপতি মিজানুর রহমান বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন এবং বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। মাস কয়েক পর পর বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে বরিশালে ফরচুন সু কারখানায় বিক্ষোভ করে শ্রমিকেরা।
আ.লীগ শাসনামলে মিজান নিজেই শ্রমিকদের বিক্ষোভ ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণে রাখতো। গত ৫ আগস্ট আ.লীগের পতনের পর ফরচুন মিজান বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো: রিয়াজ খান মিল্টনসহ একটি বাহিনী ভাড়া করে বেতন-ভাতা দাবি করা ওই শ্রমিকদের উপর নির্যাতন চালাতো।
ফরচুন মিজানের ভাড়ায় চালিত ক্যাডার মিল্টন কাশিপুর লিটু হত্যা মামলায় নামধারী উল্লেখযোগ্য আসামি হওয়ার পর তাকে ছাড়ানোর জন্য লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছে ফরচুন চেয়ারম্যান। বছর কয়েক পূর্বে ফরচুন মিজানুর রহমান এক অনলাইন নিউজ পোর্টালে বক্তব্য দিয়েছিলেন, ‘আমি নিজেও আওয়ামী লীগের লোক, বিগত মেয়র নির্বাচনের সময়ে আমি দিনরাত বর্তমান মেয়র মহোদয়ের (সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ) পক্ষে কাজ করেছি।
স্বাস্থ্যখাত সংস্কারে বাধা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিতর্কিত নেতাদের
তবে আওয়ামী লীগের অল্পকিছু লোক রয়েছে যারা আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। আর আমি যদি বিএনপি-জামাতের লোক হতাম তাহলে ২০১৩ সালের আন্দোলনে আমার ৪টি বাস পুড়িয়ে দেয়া হত না, আমার ফ্যাক্টরিতে বোমা মারা হত না এবং আমার ভাই কখনোই জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করেনি।’ বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে বিভাগীয় ব্যবসায়ী ফোরাম এর পক্ষ থেকে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে।
গড়যধসসঁফ চধহহঁ তার ফেসবুক এব পোষ্টে লিখেছেন, ‘এটাই যদি হয় তাহলে হতাশ নেমে এসেছে সাধারণ কর্মীর মধ্যে। এই লোক কোথায় ছিলো গত ১৭ বছর। বিএনপির কর্মীরা মামলা হামলার ভয়ে শহর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াই ছিলো। তখন এই চিটার মিজান বিএনপির দলীয় লোকজনের জন্য কি করছে। এখন সে হঠাৎ বড় নেতার পাশে। ধীক্কার জানাই। ২৪ এর ৫ আগস্ট পূর্বে যখন দেশে গণহত্যা চলছিল আওয়ামীলীগ দ্বারা।
ফ্রী শিক্ষামূলক ভিডিও মেকার,শিক্ষামূলক ভিডিও কিভাবে করা যায়
তখন শেখ হাসিনার সঙ্গে চীন সফর করছিল কারা সেই লিস্ট দেখেন কারা ছিল। কারা গণহত্যার পক্ষে ছিল। আজ তারা বিএনপির বড় নেতার সঙ্গে দহরম-মহরম দুঃখজনক এটা। যারা এই ব্যবসায়ীর পক্ষে সাফাই গাচ্ছেন তারা কি জানেন না দেশের বড় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন হানিফ পরিবহনের মালিক ও একাধিক ব্যবসায়ী বিএনপি করায় বছর পর বছর জেল খেটেছে। এ ব্যবসায়ী তখন তাদের পক্ষে আন্দোলন করেননি কেন। এই এই ব্যবসায়ী তখন দেশের ফ্যাসিস সরকার পক্ষে নিয়ে সব ধরনের সুবিধা নিয়েছে। এই এই ব্যবসায়ীর কথা বলতে গেলে তার ফিরিস্তি শেষ হবে না। ’
উক্ত বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
আমাদের সাথে ইউটিউব চ্যানেলে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে ফেইজবুক পেইজে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন। গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।






























